Spread the love

উত্তরঃ- “হরেকৃষ্ণ মহামন্ত হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।। এখানে___

(১)”হরে”_ শ্রীমমতি রাধারাণীর নাম ‘হরা’ সম্বোধন করে।

(২)”কৃষ্ণ “_ সর্বাকর্ষক পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ।

(৩)”রাম”_সর্ব আনন্দদায়ক শ্রীমান বলরামকে বোঝায়। অনুবাদঃ- হে ভগবানের হ্লাদিনী শক্তি শ্রীমতি রাধারাণী,

হে সর্বকার্ষক পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, হে সর্বনন্দদায়ক ভগবান শ্রীবলরাম, আপনারা আমাকে কৃপাপূর্বক আপনাদের প্রেমময়ী সেবায় বিয়োজিত করুন। তাৎপর্য শ্রীমতি রাধারাণীর অনুমিত ব্যতীত কোন মহান ভক্ত বা দেবতাদের ও পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেবা করার অধিকার নেই,

অর্থাৎ__পরমেশ্বর ভগবানকে সেবা করার প্রকৃত জ্ঞান আমাদের নেই, তা শ্রীমতি রাধারাণীর নিকট থেকে প্রাপ্ত করতে হয়।

পরমেশ্বর ভগবান তার পদ্মযুগল চরণের সেবার ও ভক্তসংগ লাভের জন্য সর্বপ্রথম শ্রীমতি রাধারাণীকে তার হৃদয়ের বামপাশ থেকে সৃজন করেছেন। এর জন্যই তার অধিকার সবার আগে।

“রাম”হচ্ছেন শ্রীমান বলরাম। তিনি হনেল ভগবানের নীলা অবতার। রাম শব্দের অর্থ হল যিনি বৃন্দাবনে সবার অন্তরে আনন্দ সঞ্চারর করেন।

তাই, আমাদের উচিৎ সর্বাকর্ষক ভগবান শ্রীকৃষ্ণের সেবা করার অভিলাসে___শ্রীমতি রাধারাণী ও আনন্দদায়ক ভগবান শ্রীবলরামের নিকট প্রার্থনা জানিয়ে নিজেকে ভগবানের সেবায় নিয়জিত করা।

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.