Spread the love

দুষ্টকে দমনে স্রষ্টার ভুমিকা: যদা যদাহি ধমস্য গ্লানিরভবতি ভারত। অভু্্যথানম ধমস্য তদাত্মানং স্রজাম্যহম || (৪/৭ পবিত্র গীতার এ স্লোক থেকে প্রতিয়মান হয় যে যখন এ বিশে ধম কমে যায়, অধম বেড়ে যায় তখনই স্রষ্টা জগতে অবতার রুপে অবতিরন হন। এ সময় তিনি দুষ্টুকে শক্ত হাতে দমন করেন।

 

সনাতন ধমাবলম্বিরা যাদের কেউ নিরাকার,কেউবা সাকার উপাসনার মাধ্যমে ঈশরকে পুজা বা আরাধনা করেন, এ সম্পকে ভগবান শ্রীকৃৃষন শ্রীমদ্ভগবদগিতায় উল্লেখ করেছেন :

যে যথা মাং প্রপদ্যন্তে তাংস্তথৈর ভজাম্যহম। মম বত্নানুবতন্তে মনুষ্যাঃ পার্থ সবশঃ।।(গীতা৪/১১

অথ্যাত যারা যেভাবে আমাকে ভজন করে তাদের সেইভাবেই আমি কৃপা করে থাকি। মনুষ্যগন সবপ্রকার আমার পথ অনুসরণ করে। দেবদেবীগন একই ঈশরের বিভিন্ন রুপ। তাই হিন্দুধমে একই ঈশরের বিভিন্ন রুপ তাই হিন্দুধমে একের মধ্যে বহুর সমাবেশ বা বহুর মধ্যে একের অভিব্যক্তি ঘটেছে।

 

প্রার্থনা মন্ত্র : কেশব ক্লেশহরন নারায়ণ জনাদন। গোবিন্দ পরমানন্দ মাং সমুদ্ধর মাধব।। সরলারথ: হে কেশব,হে দুঃখদুরকারি,হে নারায়ণ, হে জনাদন,হে গোবিন্দ পরমানন্দ, হে মাধব আমাকে উদধার কর।

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.