Spread the love

মানুষ এবং পশু


মানুষ ও পশুদের কার্যকলাপ একই। মানুষও ঠিক পশুদের মত। কারন আহার, নিদ্রা,ভয় এবং মৈথুন মানুষ এবং পশু উভয়ের মধ্যে বিদ্যমান। মানুষ তখনই উন্নত হয় যখন ভগবানের ভক্ত হয়। মহাভারতে বলা হয়েছে, “আহার, নিদ্রা, ভয় ও মৈথুন মানুষ ও পশুর সাধারণ বৈশিষ্ট্য।” মানুষ যখন পরম তত্ত্ব সম্বন্ধে জানতে উদ্দোগী হয় তখনই পশুদের সঙ্গে তাদের পার্থক্য সূচিত হয়, অন্যথায় তারা পশুদের সমতুল্য।” জীবনের প্রকৃত সমস্যা হচ্ছে জন্ম, মৃত্যু, জরা ও ব্যাধি। এই জড় জগতে ব্রহ্মা থেকে ক্ষুদ্র প্রাণী কেউ সুখী নয়। সুখী না থাকার কারন হলো কৃষ্ণ বৃস্মৃতি।কৃষ্ণকে ভূলে থাকার কারনের আমাদের এত দূ:খ-কষ্ট। এই মানব জীবনকে বলা হয় দূর্লভ মানব জন্ম। কারন কমপক্ষে ৮০ লক্ষ্য যোনি ভ্রমন করার পর এই মানব জীবন পেয়েছি। তারপরও যদি এই মানব জীবনের সদ্বব্যবহার না করি তবে আবারও লক্ষ লক্ষ যোনি ভ্রমন করতে হবে। আমরা যদি ভক্তিযোগ অবলম্বন করি তবে ভগবানের কাছে ফিরে যেতে পারব কিন্তু আমরা এতই দূরভাগা যে আমরা সবাই দূ:খেই থাকতে চাই।


talkingযুবকেরা যুবতীদের সাথে প্রেম করে, যুবতীরা যুবকদের সাথে প্রেম করে কিন্তু পরিনামে শুধু কষ্টই পায়। কিন্তু যথার্থ প্রেম যদি শ্রীকৃষ্ণের সাথে করত তাহলে তারা প্রকৃত সুখ পেত। ভগবানকে ভালোবাসার মধ্যে চিন্ময় আনন্দ রয়েছে যা জড় জগতে যেকোন সুথের থেকে অনেক গুন বেশী। যেমন কেউ যদি রসগোল্লা খায় তার কাছে চিনি, কদমা কিছুই না।


শঙ্করাচার্য বলেছেন- ১. শিশুরা খেলায় মগ্ন, যুবকেরা যুবতীদের সঙ্গে তথাকথিত প্রেমালাপে মগ্ন এবং বৃদ্ধরা জীবন সংগ্রামে নিজেদের অবস্থাটা একটু গুছিয়ে নেওয়ার গভীর চিন্তায় মগ্ন। কিন্তু হয়! জীবনের যথার্থ সম্বন্ধে জানতে এবং পারমার্থিক জ্ঞান অর্জন করতে কেউ প্রস্তুন নয়।  ২.মূর্থের দল তোমরা গোবিন্দের ভজনা কর, গোবিন্দের ভজনা কর,গোবিন্দের ভজনা কর। তোমাদের ব্যাকরন, জ্ঞান আর বাক্যবিন্যাস মৃত্যুর সময়ে তোমাদের রক্ষা করতে পারবে না।

Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.